সব টিপসে ফিরে যান
পুষ্টি ও ডায়েট
২ মিনিট পড়ার সময়
২৩ অক্টোবর, ২০২৬
উচ্চ রক্তচাপ কমানোর সহজ উপায়: ড্যাশ ডায়েট চার্ট ও পটাশিয়াম সমৃদ্ধ খাবার
ডাঃ কে. এম. রেজওয়ান (কার্ডিওলজিস্ট)
চিকিৎসক দ্বারা পর্যালোচিত ও প্রকাশিত
একনজরে জরুরি পরামর্শ
- ড্যাশ ডায়েট (DASH Diet) মাত্র দুই সপ্তাহে সিস্টোলিক রক্তচাপ ৮ থেকে ১৪ পয়েন্ট পর্যন্ত কমাতে সক্ষম।
- ভাতের সাথে কাঁচা লবণ খাওয়া একদম বন্ধ করুন; দৈনিক মোট লবণ গ্রহণের পরিমাণ ৫ গ্রাম বা ১ চা চামচের নিচে রাখুন।
- পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম রক্তনালীর পেশি শিথিল করে প্রেশার কমায়—কলা, ডাবের পানি, মিষ্টি আলু ও ওটস নিয়মিত রাখুন।
- প্রক্রিয়াজাত খাবার যেমন চিপস, আচার, চানাচুর, সস ও টিনজাত স্যুপে প্রচুর সোডিয়াম থাকে, যা রক্তচাপ দ্রুত বাড়ায়।
- প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটা এবং গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম হৃদপিণ্ডকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
উচ্চ রক্তচাপ (Hypertension) হৃদরোগ ও ব্রেইন স্ট্রোকের সবচেয়ে বড় একক কারণ। চিকিৎসাবিজ্ঞানে রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখার সবচেয়ে স্বীকৃত ও কার্যকরী খাদ্যপরিকল্পনা হলো **ড্যাশ ডায়েট (Dietary Approaches to Stop Hypertension)**।
**ড্যাশ ডায়েটের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:**
১. খাবারে সোডিয়ামের পরিমাণ সীমিত করা (লবণ কম ব্যবহার করা)।
২. পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম সমৃদ্ধ খাবার বৃদ্ধি করা।
৩. সম্পৃক্ত চর্বি ও কোলেস্টেরলযুক্ত খাবার কমিয়ে আঁশযুক্ত উদ্ভিজ্জ খাবার বেশি গ্রহণ করা।
**প্রতিদিনের খাদ্যতালিকার নমুনা:**
- সকাল: লাল আটার রুটি, ১ বাটি সেদ্ধ সবজি, ১টি সেদ্ধ ডিম ও অর্ধেক কলা।
- দুপুর: অল্প লাল চালের ভাত, ১ বাটি সালাদ (শসা, টমেটো, ধনেপাতা), ছোট মাছের ঝোল ও পাতলা মসুর ডাল।
- বিকেল: চিনি ছাড়া ১ কাপ গ্রিন টি ও এক মুঠো ভাজা ছোলা বা কাঠবাদাম।
- রাত: লাল আটার পাতলা রুটি, সবজি ও পাতলা টক দই।
**কাঁচা লবণের বিপদ:** রান্না করা তরকারির অতিরিক্ত কাঁচা লবণ রক্তে পানির পরিমাণ বাড়িয়ে ধমনীর দেয়ালে প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করে। তাই পাতে কখনোই অতিরিক্ত লবণ নেওয়া যাবে না।
এই স্বাস্থ্য গাইডটি শেয়ার করুন:
সম্পর্কিত অন্যান্য স্বাস্থ্য গাইড
বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন
ফেনীর সেরা কনসালট্যান্টদের চেম্বার শিডিউল দেখুন ও মেম্বার ডিসকাউন্টে সেবা গ্রহণ করুন।
মেডিকেল ও স্বাস্থ্য তথ্য বিষয়ক সতর্কবার্তা
হেলথ ক্লাবের সকল স্বাস্থ্য টিপস ও গাইড নিবন্ধিত চিকিৎসকদের পরামর্শ ও আন্তর্জাতিক মেডিকেল গাইডলাইনের ভিত্তিতে প্রস্তুতকৃত। এই তথ্যগুলো স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে তৈরি এবং এটি চিকিৎসকের সরাসরি প্রেসক্রিপশন বা ক্লিনিক্যাল ডায়াগনোসিসের বিকল্প নয়। জরুরি বা জটিল শারীরিক সমস্যায় অবিলম্বে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন অথবা নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যোগাযোগ করুন।