Chemical Ingestion & Insecticide Poisoning Emergency Protocol
হারপিক, কেরোসিন, ফিনাইল বা কীটনাশক খেলে ভুলেও বমি করানোর চেষ্টা করবেন না। বমির সময় ক্ষতিকর রাসায়নিক খাদ্যনালী ও শ্বাসনালী পুনরায় দ্বিগুণ পুড়িয়ে দেয়। দ্রুত খেয়ে ফেলা রাসায়নিকের বোতল বা নমুনা সাথে নিয়ে রোগীকে নিকটস্থ সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিন। প্রয়োজনে অবিলম্বে ৯৯৯-এ কল দিন।
দুর্ঘটনার প্রথম গোল্ডেন আওয়ারে রোগীর জীবন বাঁচাতে ক্রম অনুযায়ী এই পদক্ষেপগুলো অনুসরণ করুন।
লবণ-পানি, তেল বা গলায় আঙুল দিয়ে কোনোভাবেই বমি করাবেন না। অ্যাসিড বা ক্ষার বমির সময় খাদ্যনালী ফুটো করে দিতে পারে।
মুখে লেগে থাকা অবশিষ্ট রাসায়নিক আলতো করে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। গায়ে বা কাপড়ে কীটনাশক লাগলে কাপড় দ্রুত খুলে শরীর প্রচুর পানি দিয়ে ধুয়ে দিন।
রোগীকে বাম কাতে মাথা সামান্য নিচু করে শোয়ান যাতে অসচেতন অবস্থায় নিজ থেকেই বমি হলে তা শ্বাসনালীতে না গিয়ে মুখ দিয়ে গড়িয়ে পড়ে।
রোগী কোন ধরনের বিষ (যেমন: অর্গানোফসফরাস কীটনাশক, হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড বা ঘুমের ওষুধ) খেয়েছে তার বোতল বা স্ট্রিপ সাথে রাখুন যাতে চিকিৎসক সঠিক অ্যান্টিডোট দিতে পারেন।
ফেনী সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে সার্বক্ষণিক গ্যাস্ট্রিক ল্যাভাজ ও জীবন রক্ষাকারী অ্যান্টিডোট (এট্রোপিন/প্রালিডক্সিম) দেওয়া হয়।
নিচের যেকোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলে কালবিলম্ব না করে রোগীকে সরাসরি হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে:
হাসপাতাল রোড, ফেনী সদর, ফেনী • কীটনাশক বিষক্রিয়ার জরুরি অ্যান্টিডোট (এট্রোপিন, PAM), গ্যাস্ট্রিক ওয়াশ ও আইসিইউ সার্পোট।
হারপিক বা তীব্র অ্যাসিড খাওয়ার সময় একবার খাদ্যনালী ও মুখ পুড়িয়ে যায়। জোর করে বমি করালে সেই অ্যাসিড আবার খাদ্যনালী বেয়ে উঠে এসে পুরো খাদ্যনালী ফুটো (Perforation) করে এবং শ্বাসনালীতে ঢুকে তাৎক্ষণিক মৃত্যুর কারণ হতে পারে।
কীটনাশক বা কীটনাশক জাতীয় বিষক্রিয়ায় ফেনী সদর হাসপাতালের চিকিৎসকরা নির্দিষ্ট মাত্রায় জীবনরক্ষাকারী ইনজেকশন এট্রোপিন (Atropine) ও প্রালিডক্সিম (PAM) প্রয়োগ করে বিষের কার্যকারিতা নিষ্ক্রিয় করেন।
Health Club Public Health & Clinical Protocol Research Team
সাপে কাটলে রোগীকে শান্ত রেখে আক্রান্ত অঙ্গ সম্পূর্ণ স্থির (Immobilize) রাখুন এবং দ্রুত ফেনী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল বা নিকটস্থ সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিন। ভুলেও দড়ি দিয়ে শক্ত বাঁধন দেবেন না, ব্লেড দিয়ে কাটবেন না কিংবা মুখ দিয়ে বিষ চুষবেন না। ফেনী সদর হাসপাতালে সরকারি অ্যান্টিভেনম সার্বক্ষণিক মজুত রয়েছে (হটলাইন: 0331-74011)।
কুকুর, বিড়াল বা বেজির কামড় কিংবা সামান্য আঁচড়ে তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষতের স্থান কাপড় কাঁচা ক্ষারযুক্ত সাবান ও চলমান পানিতে একটানা ১৫-২০ মিনিট ধুয়ে ফেলুন। ক্ষতস্থানে কোনো ব্যান্ডেজ বা সেলাই করবেন না। জলাতঙ্ক শতভাগ প্রাণঘাতী, তাই কামড়ের দিনই (Day 0) সরকারি হাসপাতালে র্যাবিস ভ্যাকসিন (ARV) নিন।
আগুনে পুড়লে বা গরম তরলে ঝলসানো স্থানে তাৎক্ষণিকভাবে স্বাভাবিক তাপমাত্রার বহমান পরিষ্কার পানি একটানা ১৫-২০ মিনিট ঢালুন। ভুলেও বরফ, টুথপেস্ট, ডিমের কুসুম, গোবর বা হলুদ লাগাবেন না। ফোসকা ফাটাবেন না এবং পরিষ্কার শুকনো সুতি কাপড় আলতো করে জড়িয়ে দ্রুত জরুরি বার্ন ইউনিটে নিন।