Heat Stroke & Hyperthermia Emergency Protocol
অতিরিক্ত গরমে অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, শরীরের তাপমাত্রা ১০৪° ফারেনহাইট ছাড়িয়ে যাওয়া এবং ত্বক লালচে ও শুষ্ক হয়ে যাওয়ার লক্ষণ হলো হিটস্ট্রোক। তাৎক্ষণিকভাবে রোগীকে শীতল ছায়াযুক্ত স্থানে নিন, ভেজা তোয়ালে বা বরফের প্যাক ঘাড়, বগল ও কুঁচকিতে দিন এবং দ্রুত তাপমাত্রা ১০১°-এ নামাতে ফ্যানের বাতাস দিন।
দুর্ঘটনার প্রথম গোল্ডেন আওয়ারে রোগীর জীবন বাঁচাতে ক্রম অনুযায়ী এই পদক্ষেপগুলো অনুসরণ করুন।
রোগীকে রোদ বা তীব্র গরম পরিবেশ থেকে সরিয়ে অবিলম্বে শীতল ছায়াযুক্ত ঘরে বা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত স্থানে সমতল করে শুইয়ে দিন।
শরীরের তাপ সহজে বের হওয়ার জন্য রোগীর গায়ের ভারী পোশাক, জুতো-মোজা আলতো করে খুলে দিন।
সাধারণ তাপমাত্রার পানিতে তোয়ালে ভিজিয়ে পুরো শরীর মুছে দিন এবং টেবিল ফ্যান বা হাতপাখা দিয়ে তীব্র বাতাস করুন যাতে বাষ্পীভবনের মাধ্যমে তাপমাত্রা দ্রুত নামে।
কাপড়ে মোড়ানো বরফের প্যাক রোগীর ঘাড়ের দুই পাশে, দুই বগলে এবং কুঁচকিতে (যেখানে বড় রক্তনালী রয়েছে) রাখুন যাতে রক্ত দ্রুত শীতল হয়ে মস্তিষ্কে যায়।
রোগী অচেতন থাকলে কোনো তরল পান করাবেন না। দ্রুত অ্যাম্বুলেন্স ডেকে হাসপাতালে নিয়ে আইভি ফ্লুইড রিসাসিটেশন নিশ্চিত করুন।
নিচের যেকোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলে কালবিলম্ব না করে রোগীকে সরাসরি হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে:
হাসপাতাল রোড, ফেনী সদর, ফেনী • শীতল আইভি স্যালাইন ইনফিউশন, সেন্ট্রাল অক্সিজেন ও তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা।
সাধারণ জ্বরে শরীরে সংক্রমণ বা প্রদাহের কারণে মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাস তাপমাত্রা বাড়ায়। কিন্তু হিটস্ট্রোকে অতিরিক্ত বাহ্যিক উত্তাপে শরীরের প্রাকৃতিক কুলিং সিস্টেম ভেঙে পড়ে। তাই প্যারাসিটামল এই তাপমাত্রা কমাতে পারে না বরং লিভার ও কিডনির ক্ষতির ঝুঁকি বাড়ায়।
Health Club Public Health & Clinical Protocol Research Team
আগুনে পুড়লে বা গরম তরলে ঝলসানো স্থানে তাৎক্ষণিকভাবে স্বাভাবিক তাপমাত্রার বহমান পরিষ্কার পানি একটানা ১৫-২০ মিনিট ঢালুন। ভুলেও বরফ, টুথপেস্ট, ডিমের কুসুম, গোবর বা হলুদ লাগাবেন না। ফোসকা ফাটাবেন না এবং পরিষ্কার শুকনো সুতি কাপড় আলতো করে জড়িয়ে দ্রুত জরুরি বার্ন ইউনিটে নিন।
কেউ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হলে খালি হাতে রোগীকে স্পর্শ করবেন না। অবিলম্বে মেইন সুইচ বন্ধ করুন বা শুকনো কাঠ, বাঁশ অথবা প্লাস্টিক দিয়ে বিদ্যুৎ উৎস বিচ্ছিন্ন করুন। রোগীকে নিরাপদ স্থানে এনে শ্বাস ও পালস পরীক্ষা করুন; শ্বাস না থাকলে তাৎক্ষণিক সিপিআর দিন এবং দ্রুত ফেনী সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিন।
সাপে কাটলে রোগীকে শান্ত রেখে আক্রান্ত অঙ্গ সম্পূর্ণ স্থির (Immobilize) রাখুন এবং দ্রুত ফেনী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল বা নিকটস্থ সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিন। ভুলেও দড়ি দিয়ে শক্ত বাঁধন দেবেন না, ব্লেড দিয়ে কাটবেন না কিংবা মুখ দিয়ে বিষ চুষবেন না। ফেনী সদর হাসপাতালে সরকারি অ্যান্টিভেনম সার্বক্ষণিক মজুত রয়েছে (হটলাইন: 0331-74011)।