সিরাম ইলেক্ট্রোলাইটস টেস্ট (সোডিয়াম, পটাশিয়াম ও ক্লোরাইড)
Serum Electrolytes Panel (Sodium, Potassium, Chloride) — Normal Range, Report Interpretation & Cost in Feni
৳৮০০ - ৳১২০০
সিরাম ইলেক্ট্রোলাইটস টেস্ট (সোডিয়াম, পটাশিয়াম ও ক্লোরাইড) নরমাল রেঞ্জ কত এবং কেন করা হয়?
সিরাম ইলেক্ট্রোলাইটস রক্তে শরীরের লবণ ও পানির সঠিক ভারসাম্য পরিমাপ করে। স্বাভাবিক সোডিয়াম ১৩৫-১৪৫ mmol/L এবং পটাশিয়াম ৩.৫-৫.১ mmol/L থাকা প্রয়োজন। ডায়রিয়া, বমি বা অতিরিক্ত ঘামের কারণে সোডিয়াম বা পটাশিয়াম কমে গেলে চরম ক্লান্তি, বুক ধড়ফড় বা খিঁচুনির সৃষ্টি হতে পারে।
ইন্টারঅ্যাক্টিভ ল্যাব রিপোর্ট ভ্যালু চেকার
রিপোর্টের মান বসিয়ে তাৎক্ষণিক স্বাভাবিক ও ঝুঁকিপূর্ণ স্ট্যাটাস যাচাই করুন
সিরাম ইলেক্ট্রোলাইটস টেস্ট (সোডিয়াম, পটাশিয়াম ও ক্লোরাইড) স্বাভাবিক রেফারেন্স রেঞ্জ চার্ট (Normal Reference Ranges)
পুরুষ, নারী ও শিশুভেদে আন্তর্জাতিক প্যাথলজি মানদণ্ড অনুযায়ী স্বাভাবিক মাত্রা
| প্যারামিটার | পুরুষ (Male) | নারী (Female) | শিশু (Child) | একক (Unit) | ফলাফল পরিবর্তনের ক্লিনিক্যাল অর্থ |
|---|---|---|---|---|---|
| সোডিয়াম (Sodium - Na+)Serum Sodium (Na+)Serum (Electrolyte Analyzer) | ১৩৫ – ১৪৫ mmol/L | ১৩৫ – ১৪৫ mmol/L | ১৩৫ – ১৪৫ mmol/L | mmol/L | বেশি হলে: হাইপারনাট্রেমিয়া; তীব্র পানিশূন্যতা বা অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ। কম হলে: হাইপোনাট্রেমিয়া; দুর্বলতা, বিভ্রান্তি, বয়স্কদের অসংলগ্ন কথা বলা বা খিঁচুনি। |
| পটাশিয়াম (Potassium - K+)Serum Potassium (K+)Serum | ৩.৫ – ৫.১ mmol/L | ৩.৫ – ৫.১ mmol/L | ৩.৫ – ৫.৩ mmol/L | mmol/L | বেশি হলে: হাইপারকালেমিয়া; কিডনি ফেইলিউর রোগীদের হৃদযন্ত্রের আকস্মিক বন্ধ হওয়ার ঝুঁকি। কম হলে: হাইপোক্যালেমিয়া; মাংসপেশির খিঁচুনি, পক্ষাঘাত ও হার্টের মারাত্মক ছন্দপতন। |
ইলেক্ট্রোলাইটস বাড়ার কারণ
- •কিডনি ফেইলিউরে পটাশিয়াম শরীর থেকে বের হতে না পারা।
- •তীব্র পানিশূন্যতায় সোডিয়াম বৃদ্ধি।
ইলেক্ট্রোলাইটস কমার কারণ
- •ডায়রিয়া, কলেরা বা ক্রমাগত বমি।
- •প্রস্রাব বাড়ানোর ওষুধ (Diuretics) নিয়মিত খাওয়া।
রোগীর সঠিক পূর্বপ্রস্তুতি ও নমুনা প্রদানের নিয়ম
কোনো ফাস্টিং নেই, সাধারণ খাবারের পর পরীক্ষা করা যাবে।
২-৩ মিলি হিমোলাইসিসমুক্ত রক্ত (Serum)
২ থেকে ৩ ঘণ্টা
নির্দেশনা: বিশেষ কোনো ফাস্টিং নেই। রক্তের নমুনা অবিলম্বে ল্যাব প্রসেস হওয়া জরুরি যাতে হিমোলাইসিস না ঘটে।
কখন দ্রুত আইসিইউ বা জরুরি হাসপাতালে নেবেন?
সিরাম ইলেক্ট্রোলাইটস টেস্ট (সোডিয়াম, পটাশিয়াম ও ক্লোরাইড) টেস্টে নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে অবহেলা না করে অবিলম্বে জরুরি চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন
- !পটাশিয়াম ২.৮-এর নিচে নামলে বা ৬.০ ছাড়ালে (তাত্ক্ষণিক ইসিজি ও কার্ডিয়াক মনিটরিং প্রয়োজন)।
- !সোডিয়াম ১২৫-এর নিচে নেমে অজ্ঞান বা আবল-তাবল বকা।
- !হাত-পা অবশ হয়ে আসা ও চরম শ্বাসকষ্ট।
অবিলম্বে রোগীকে নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করুন।
ফেনী সদরে মেডিসিন ও ক্রিটিক্যাল কেয়ার বিশেষজ্ঞ ডাক্তার খুঁজছেন?
রিপোর্টে কোনো অস্বাভাবিকতা থাকলে ফেনীর অভিজ্ঞ মেডিসিন ও ক্রিটিক্যাল কেয়ার কনসালট্যান্টদের চেম্বার শিডিউল, ভিজিট ফি ও সিরিয়াল নম্বর দেখে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন।
১০-৩০% মেম্বার ছাড়ে টেস্ট করান
১০-৩০% মেম্বার ছাড়হেলথ ক্লাব মেম্বারশিপ কার্ড দেখালেই ফেনী সদরের চুক্তিভুক্ত সেরা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে (লাইফ কেয়ার, প্যাসিফিক, ডিডি ল্যাব) প্যাথলজি ও বায়োকেমিস্ট্রি পরীক্ষায় পাবেন ১০-৩০% বিশেষ ছাড়।
রিপোর্ট স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় খাদ্যাভ্যাস ও পরামর্শ
- ডায়রিয়া হলে প্রতিবার পাতলা পায়খানার পর এক প্যাকেট ওআরএস স্যালাইন আধালিটার পানিতে গুলিয়ে পান করুন।
- পটাশিয়ামের ঘাটতি মেটাতে ডাবের পানি, কলা ও কমলার রস উপকারী।
- কিডনি রোগীরা রক্তে পটাশিয়াম স্বাভাবিক না থাকলে ডাবের পানি পান করবেন না।
সিরাম ইলেক্ট্রোলাইটস টেস্ট (সোডিয়াম, পটাশিয়াম ও ক্লোরাইড) সম্পর্কিত সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQs)
প্রশ্ন: ডায়রিয়ায় কেন ইলেক্ট্রোলাইটস টেস্ট জরুরি?
উত্তর: ডায়রিয়া ও বমির সাথে শরীর থেকে দ্রুত সোডিয়াম ও পটাশিয়াম বেরিয়ে যায়। দ্রুত স্যালাইন ও ওষুধের মাধ্যমে এর সঠিক ভারসাম্য রক্ষা না করলে রোগীর জীবনঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
প্রশ্ন: পটাশিয়ামের মাত্রা কমে গেলে কী সমস্যা হয়?
উত্তর: রক্তে পটাশিয়াম কমলে (Hypokalemia) মাংসপেশির দুর্বলতা, অবশ ভাব এবং অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের মতো ঝুঁকিপূর্ণ জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।