সিরাম ক্রিয়েটিনিন ও ইজিএফআর (কিডনি ফাংশন টেস্ট)
Serum Creatinine with eGFR (Kidney Function) — Normal Range, Report Interpretation & Cost in Feni
৳৩০০ - ৳৫৫০
সিরাম ক্রিয়েটিনিন ও ইজিএফআর (কিডনি ফাংশন টেস্ট) নরমাল রেঞ্জ কত এবং কেন করা হয়?
সিরাম ক্রিয়েটিনিনের স্বাভাবিক মাত্রা পুরুষদের ক্ষেত্রে ০.৭-১.৩ mg/dL এবং নারীদের ক্ষেত্রে ০.৫-১.১ mg/dL। ক্রিয়েটিনিন ১.৪ mg/dL ছাড়ালে কিডনির বর্জ্য ছাঁকন ক্ষমতা (eGFR) কমে যাওয়ার লক্ষণ নির্দেশ করে। অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস বা অপ্রয়োজনীয় ব্যথানাশক ওষুধের কারণে ক্রিয়েটিনিন বৃদ্ধি পেতে পারে।
ইন্টারঅ্যাক্টিভ ল্যাব রিপোর্ট ভ্যালু চেকার
রিপোর্টের মান বসিয়ে তাৎক্ষণিক স্বাভাবিক ও ঝুঁকিপূর্ণ স্ট্যাটাস যাচাই করুন
সিরাম ক্রিয়েটিনিন ও ইজিএফআর (কিডনি ফাংশন টেস্ট) স্বাভাবিক রেফারেন্স রেঞ্জ চার্ট (Normal Reference Ranges)
পুরুষ, নারী ও শিশুভেদে আন্তর্জাতিক প্যাথলজি মানদণ্ড অনুযায়ী স্বাভাবিক মাত্রা
| প্যারামিটার | পুরুষ (Male) | নারী (Female) | শিশু (Child) | একক (Unit) | ফলাফল পরিবর্তনের ক্লিনিক্যাল অর্থ |
|---|---|---|---|---|---|
| সিরাম ক্রিয়েটিনিন (Serum Creatinine)Serum CreatinineClotted Blood (Serum) | ০.৭ – ১.৩ mg/dL | ০.৫ – ১.১ mg/dL | ০.৩ – ০.৭ mg/dL | mg/dL | বেশি হলে: কিডনি রোগের লক্ষণ (Chronic Kidney Disease / Acute Kidney Injury), পানিশূন্যতা বা মূত্রনালীর বাধা। কম হলে: সাধারণত পেশির ঘনত্ব কম থাকা বা তীব্র পুষ্টিহীনতা নির্দেশ করে। |
| ইজিএফআর (eGFR - Glomerular Filtration Rate)Estimated GFR (CKD-EPI)Calculated from Serum Creatinine | ≥ ৯০ mL/min/1.73m² | ≥ ৯০ mL/min/1.73m² | ≥ ৯০ mL/min/1.73m² | mL/min/1.73m² | বেশি হলে: স্বাভাবিক ফিল্ট্রেশন অথবা ডায়াবেটিসের প্রাথমিক হাইপারফিল্ট্রেশন স্টেজ। কম হলে: কিডনির ছাঁকন ক্ষমতা হ্রাস; ৬০-এর নিচে থাকলে ক্রনিক কিডনি রোগ (CKD) বিবেচনা করা হয়। |
ক্রিয়েটিনিন বাড়ার প্রধান কারণসমূহ
- •দীর্ঘদিনের অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস।
- •চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যথানাশক ট্যাবলেট (NSAIDs) মাত্রাতিরিক্ত সেবন।
- •তীব্র পানিশূন্যতা, ডায়রিয়া বা প্রস্রাবের নালীতে পাথরের কারণে প্রতিবন্ধকতা।
ক্রিয়েটিনিন কমার সম্ভাব্য কারণ
- •অতিরিক্ত পেশিক্ষয় (Muscle Wasting) বা দীর্ঘদিন শয্যাশায়ী থাকা।
- •গর্ভাবস্থায় রক্তরস বৃদ্ধির কারণে কিছুটা কম মান আসতে পারে।
রোগীর সঠিক পূর্বপ্রস্তুতি ও নমুনা প্রদানের নিয়ম
কোনো ফাস্টিং নেই, সাধারণ খাবারের পর পরীক্ষা করা যাবে।
৩ মিলি শিরাস্থ রক্ত (Red Top / Gel Vial)
৩ থেকে ৫ ঘণ্টা
নির্দেশনা: টেস্টের আগের রাতে অতিরিক্ত লাল মাংস না খাওয়া এবং ব্যথানাশক ওষুধ পরিহার করা উচিত।
কখন দ্রুত নেফ্রোলজিস্ট বা কিডনি বিশেষজ্ঞ দেখাবেন?
সিরাম ক্রিয়েটিনিন ও ইজিএফআর (কিডনি ফাংশন টেস্ট) টেস্টে নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে অবহেলা না করে অবিলম্বে জরুরি চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন
- !ক্রিয়েটিনিন ২.০ mg/dL ছাড়িয়ে গেলে এবং eGFR ৩০-এর নিচে নামলে।
- !চোখের চারপাশ বা দুই পা অস্বাভাবিক ফুলে যাওয়া।
- !প্রস্রাবের পরিমাণ হঠাৎ কমে যাওয়া, বমি বমি ভাব ও তীব্র শ্বাসকষ্ট।
বিলম্ব না করে অবিলম্বে ফেনী সদরের নেফ্রোলজি বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হোন।
ফেনী সদরে নেফ্রোলজি ও কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার খুঁজছেন?
রিপোর্টে কোনো অস্বাভাবিকতা থাকলে ফেনীর অভিজ্ঞ নেফ্রোলজি ও কিডনি রোগ কনসালট্যান্টদের চেম্বার শিডিউল, ভিজিট ফি ও সিরিয়াল নম্বর দেখে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন।
১০-৩০% মেম্বার ছাড়ে টেস্ট করান
১০-৩০% মেম্বার ছাড়হেলথ ক্লাব মেম্বারশিপ কার্ড দেখালেই ফেনী সদরের চুক্তিভুক্ত সেরা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে (লাইফ কেয়ার, প্যাসিফিক, ডিডি ল্যাব) প্যাথলজি ও বায়োকেমিস্ট্রি পরীক্ষায় পাবেন ১০-৩০% বিশেষ ছাড়।
রিপোর্ট স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় খাদ্যাভ্যাস ও পরামর্শ
- রক্তচাপ ১২০/৮০ mmHg এবং রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
- প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশুদ্ধ পানি পান করুন (ডাক্তার নির্দেশিত সীমাবদ্ধতা না থাকলে)।
- কাঁচা লবণ ও প্রক্রিয়াজাত অতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহণ সীমিত করুন।
সিরাম ক্রিয়েটিনিন ও ইজিএফআর (কিডনি ফাংশন টেস্ট) সম্পর্কিত সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQs)
প্রশ্ন: ক্রিয়েটিনিন বাড়লে কি সবসময় কিডনি নষ্ট হয়ে যায়?
উত্তর: না, পানিশূন্যতা বা সাময়িক সংক্রমণের কারণেও সাময়িক বৃদ্ধি পেতে পারে (AKI), যা দ্রুত চিকিৎসায় সম্পূর্ণ ভালো হয়।
প্রশ্ন: ক্রিয়েটিনিনের স্বাভাবিক মাত্রা কত?
উত্তর: পুরুষদের ক্ষেত্রে সাধারণত ০.৭ থেকে ১.৩ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার এবং নারীদের ক্ষেত্রে ০.৬ থেকে ১.১ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার।
প্রশ্ন: সিরাম ক্রিয়েটিনিন টেস্টের জন্য কি খালি পেটে থাকা লাগে এবং খরচ কেমন?
উত্তর: সিরাম ক্রিয়েটিনিন টেস্টের জন্য খালি পেটে থাকা বা ফাস্টিং বাধ্যতামূলক নয়। তবে পরীক্ষার আগের রাতে অতিরিক্ত লাল মাংস না খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। ফেনী সদরে এর নিয়মিত বাজার খরচ প্রায় ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা (হেলথ ক্লাব মেম্বারদের জন্য পার্টনার সেন্টারে ১০-৩০% মেম্বার ছাড় রয়েছে)।